‘বনরাজ্য’-এর সাথে আপনার প্রাঙ্গণে ফুটুক দৃষ্টিনন্দন কপসিয়া বাগানের আভিজাত্য ও স্নিগ্ধতা বাড়াতে ‘কপসিয়া’ (Kopsia) ফলের মতো বা ডেকোরেটিভ শোভাবর্ধক গাছের জুড়ি নেই। গাঢ় সবুজ চকচকে পাতার মাঝে এর হালকা গোলাপি ও সাদা মিশ্রণের থোকায় থোকা ফুল দেখতে অত্যন্ত মনোহর। এটি আপনার ঘর বা বাগানকে নিমেষেই নান্দনিক করে তোলে। আপনার ছাদবাগানকে রঙিন করতে ‘বনরাজ্য’ নিয়ে এসেছে শতভাগ সুস্থ, সবল ও প্রিমিয়াম কোয়ালিটির চারা গাছ।
কেন আপনার বাগানে ‘কপসিয়া’ ফুল গাছ লাগাবেন?
-
নান্দনিক ও চোখজুড়ানো রূপ: গাঢ় সবুজ পাতার পটভূমিতে থোকায় থোকায় ফুটে থাকা কপসিয়া ফুলের রূপ যেকোনো দর্শনার্থীর নজর কাড়ে।
-
আমাদের আবহাওয়ার উপযোগী: এটি একটি ট্রপিক্যাল ঝোপঝাড় (Shrub) জাতীয় গাছ, যা বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ুর সাথে খুব চমৎকারভাবে মানিয়ে নেয় এবং দ্রুত বেড়ে ওঠে।
-
বারমাসি সৌন্দর্য: নিয়মিত ও সামান্য যত্ন পেলেই এই গাছে দীর্ঘ সময় ধরে প্রচুর ফুল ফুটতে দেখা যায়, যা বাগানকে সবসময় জীবন্ত রাখে।
-
টব ও ড্রামে চাষযোগ্য: ১২ থেকে ১৬ ইঞ্চির টব বা হাফ-ড্রামে ছাদবাগানে কিংবা আলো-বাতাসপূর্ণ বারান্দায় এটি খুব সহজে চাষ করা যায়।
গাছের রোপণ ও পরিচর্যা
-
সূর্যালোক: প্রতিদিন অন্তত ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা পর্যাপ্ত রোদ বা সরাসরি উজ্জ্বল আলো পায় এমন জায়গায় গাছটি স্থাপন করুন।
-
মাটি ও ড্রেনেজ: জৈব সার যুক্ত দোআঁশ মাটি এবং টবের নিচে পানি নিষ্কাশনের ভালো ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন, যেন গোড়ায় অতিরিক্ত পানি না জমে।
-
পানি সেচ: মাটির উপরিভাগ শুকিয়ে এলে পরিমাণমতো পানি দিন।
বনরাজ্য-এর সহজ ও নিরাপদ অর্ডার প্রক্রিয়া
১. ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি আপনার কপসিয়া চারা গাছের অর্ডারটি সম্পন্ন করুন।
২. অর্ডার পাওয়ার পর আমাদের অভিজ্ঞ প্রতিনিধি আপনাকে কল দিয়ে গাছের বর্তমান সাইজ ও রোপণ গাইড বুঝিয়ে দিয়ে অর্ডার চূড়ান্ত করবেন।
৩. চারাগাছ অক্ষত রাখতে বিশেষ সুরাক্ষিত প্যাকেজিং নিশ্চিত করে দ্রুত আপনার ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে।


Reviews
There are no reviews yet.